Thursday, November 7, 2019

চুয়াডাঙ্গা জেলার অজানা কিছু তথ্য

_চুয়াডাঙ্গা_জেলা ৬৪ জেলার মধ্যে ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্যে, শিক্ষা এবং খেলাধুলায় #চুয়াডাঙ্গা_জেলায়_সেরা..

#স্বাধীন_বাংলার প্রথম টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা চুয়াডাঙ্গায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৭১ সালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা - গেদে রেলওয়ে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় করার মাধ্যমে।

#বাংলাদেশের পথম ডাকঘর চুয়াডাঙ্গায় স্থাপিত হয়। চুয়াডাঙ্গার প্রধান ডাকঘর

#এই সেই বিখ্যাত বীরদের জনপদ যেখানে গঙ্গারিডাই‌ রাজ্যের রাজধানী গাঙ্গেই অবস্থিত ছিলো যে রাজ্যের হস্তীবাহিনী দেখে বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার যুদ্ধ না করে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

#এই সেই চুয়াডাঙ্গা যেখানে বাংলাদেশের প্রথম রেলপথ ১৮৬২ সালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় স্থাপিত হয়।

#চুয়াডাঙ্গার দর্শনা রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন।

#বাংলাদেশের প্রথম নয়টি রেলওয়ে স্টেশনের  প্রথম ছয়টি চুয়াডাঙ্গায়
অবস্থিত স্থাপিত ১৮৬২ :- (দর্শনা রেলওয়ে স্টেশন,
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশন, মোমিনপুর রেলওয়ে স্টেশন, মুন্সিগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন) ।
(কুষ্টিয়ার জগতি, হালসা, পোড়াদহ) বাদে।

#এশিয়া মহাদেশের সবচাইতে উঁচু এবং বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীতল রেলওয়ে স্টেশন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন স্থাপিত ১৮৬২ সালে।

#এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় চিনি কল কেরু এ্যান্ড কোং আমাদের চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত, নিজস্ব ৩৬০০ একর জমি নিয়ে গঠিত।

#বাংলাদেশের একমাত্র ডিস্ট্রিলারী চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনার কেরু এ্যান্ড কোং এ অবস্থিত

#বাংলাদেশের একমাত্র জৌব সার কারখানাটি কিন্তু চুয়াডাঙ্গা সদরের আকন্দবাড়িয়ায় অবস্থিত।

-[প্রিয় শহর চুয়াডাঙ্গা]

#এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃষি খামার দত্তনগর কৃষি খামার দুই জেলায় অবস্থিত চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর এবং পাশের জেলা ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের মধ্যে অবস্থিত, নিজস্ব ২৭০০ একর জমি নিয়ে গঠিত।

#বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর এ এন হামিদুল্লাহ চুয়াডাঙ্গার সন্তান।

#হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী গড়াইটুপি মেলা এই
জেলাতেই হয়।

#বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌরসভা চুয়াডাঙ্গা
পৌরসভা…

#বাংলাদেশের প্রাচীনতম স্কুল গুলোর মধ্যে অন্যতম বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৮২৫ এবং ভি,জে সরকারী উচ্চবিদ্যালয় [১৮৮০] চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত।

#চুয়াডাঙ্গা জেলা দিয়েই ভারত বাংলাদেশ এর রেল
যোগাযোগ।

#চুয়াডাঙ্গা জেলা দিয়েই বাংলাদেশ - ভারতের মধ্যে আপটিকাল ফাইবার লাইন গিয়েছে।

#চুয়াডাঙ্গায় আছে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম মসজিদ ১০০৬ সালে ওমর শাহ্ ধর্মপ্রাণ
দরবেশ কর্তৃক নির্মিত "আলমডাঙ্গার ঘোলদাড়ী শাহী
মসজিদ"।

#জমিদার রাণী ভাবনীর ২৫একর জমির উপর নির্মিত
"খাসকররা- তিয়রবিলা বাদশাহী জামে মসজিদ"।

#বাংলাদেশের একটি পৌরসভায় দুইটি রেলস্টেশন
রয়েছে তা চুয়াডাঙ্গা জেলায় দর্শনা পৌরসভায়"।

#আছে "দর্শনা শুল্ক স্টেশন"।

# "দর্শনা ইমিগ্রেশন ও কাস্টম চেকপোষ্ট"।

# আছে বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশন দর্শনা রেলওয়ে স্টেশন।

#দর্শনার মদনা ইউনিয়ানে হৈবতপুর গ্রামে পাঁচ জন
মুক্তিযোদ্ধার কবর আছে যা পাঁচ কবর নামে পরিচিত"

#আরো আছে "নতিপোতা ইউনিয়নের নাটুদাহ"
গ্রামে ১৯৭১ সালের ৫ই আগস্ট পাক- সেনাদের
সাথে যুদ্ধে শহীদ ৮জন বীর মুক্তিযোদ্ধার
কবর। যেটা আজও আট কবর নামে পরিচিত।

#নাটুদাহে" আরো আছে পাল বংশের জমিদার
 টালিউডের নায়ক তাপস পালের দাদা নফরচন্দ্র পাল কর্তক নির্মিত অনেক নিদর্শন।

#আমাদের আরো আছে ১৯৭১ সালে
মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ দর্শনা কলেজের
তৎকালীন সময়ের অধ্যক্ষ ও দুই জন প্রভাষকের
স্মৃতিস্তম্ভ। যেটা আজও "দর্শনা" সরকারী
কলেজের ভিতর দাড়িয়ে আছে।

#নতিপোতার চারুলিয়ায়" আছে চাহার আউলিয়া ও খাঁন
জাহান আলির সফরসঙ্গী হযরত মেহমান শাহ্' র মাজার।

#আছে "কার্পাসডাঙ্গায়" সরকারি সায়রাতভুক্ত শিবনগর
ফলকটির প্রবেশ পথ। যেটা তালসারি নামে পরিচিত।
যেখানে বর্তমানে আছে ৫০০'শ এর অধিক আম
গাছ। যেটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের হৃদয়স্পর্শী।

# ধোপাখালী মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থান।

#ধোপাখালী শাহী- মসজিদ।

#আছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত কাশিপুর জমিদার বাড়ি।

#তিতুদহের কালুপোলে রাজার ভিটা।

#ঠাকুপুরের গায়েবি মসজিদ স্থাপিত ১৬৯৮ খ্রিস্টাব্দ।

#সারাদেশে বিস্তৃত মাথাভাঙ্গা নদীর শাখা। নবগঙ্গা, চিত্রা এখান থেকেই সৃষ্টি।

#২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সব থেকে
বেশি মটরসাইকেল চলে চুয়াডাঙ্গাতে।

#এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তর টেলিফোন
টাওয়ার এই চুয়াডাঙ্গাতেই অবস্থিত।

#বাংলাদেশের একমাত্র হাজার
দুয়ারি স্কুল টাও এই
জেলাতেই।

#বাংলাদেশর প্রথম স্মার্ট স্কুলটি চুয়াডাঙ্গা সদরের পিরপুরে অবস্থিত

#বাংলাদেশর প্রথম কৃষকের পাঠাগার চুয়াডাঙ্গা সদরের গাড়াবাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত।

#বাংলাদেশের প্রথম পাখির গ্রাম চুয়াডাঙ্গা সদরের বেলগাছি গ্রাম।

#কার্পাসডাঙ্গায় অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল
ইসলামের আটচালা ঘর আমাদের এই জেলাতেই।

 [-প্রিয় শহর চুয়াডাঙ্গা]

#চিকিৎসা সেবায় চুয়াডাঙ্গা#

#চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকদিয়ে খুলনা বিভাগের সরকারি হাসপাতাল গুলোর মধ্যে প্রথম।
এবং বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সরকারী হাসপাতাল গুলোর মধ্যে তৃতীয়।

#শিক্ষায় এগিয়ে চুয়াডাঙ্গা#

#চুয়াডাঙ্গা বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
এবং বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম শহর চুয়াডাঙ্গা যে  শহরের মানুষ ১০০℅ শিক্ষিত ।

#ফুটবল খেলায় চুয়াডাঙ্গা#

#২০১৭ সালের জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতন চুয়াডাঙ্গা জেলা স্টেডিয়ামে এক মাঠে পঞ্চাশ হাজার দর্শক উপস্থিতি হওয়ার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা ফুটবলে বাংলাদেশের মধ্যে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল।

ব্রিটিশ আমল থেকেই চুয়াডাঙ্গার ক্রীড়াঙ্গন সবসময় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পদভারে মুখরিত থেকেছে। বিশেষ করে ফুটবল খেলার জগতে চুয়াডাঙ্গা সেই পুরানো কাল থেকেই একট বিশেষ গৌরবময় ঐতিহ্য বহন করে আসছে।ব্রিটিশ আসলে পাক-ভারত উপমহাদেশের মধ্যে খেলাধুলায় চুয়াডাঙ্গার নাম বিশেষভাবে পরিচিত ছিল। ওই সময়ের ফুটবল তারকাদের মধ্যে ছিলেন

চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান কানাই লাল, হরিদাস বৈরাগী, অনিলকুমার, মতিয়ার রহমান মল্লিক, আবুল হোসেন ডুডি জোয়ার্দ্দার, শাহাবউদ্দিন আহম্মদ, আব্দুল ওদুদ মন্ডল, মোতাহার হোসেন, ফকির জোয়ার্দ্দার শাফায়েত আলী বিশ্বাস প্রমুখ।

আরো যে সকল কৃতি খেলোয়াড়গণ সুদীর্ঘ কয়েক দশক চুয়াডাঙ্গার ফুটবল অঙ্গনকে দেশে-বিদেশে সুপরিচিত করে রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে আলী হোসেন জোয়ার্দ্দার, ওহিদ হোসেন জোয়ার্দ্দার, ইয়াকুব আলী(নালূ), মঙ্গল মল্লিক, টেংরা মল্লিক, কানাইলাল বিশ্বাস (কালু) এস এম হানিফ, ইদ্রিস আলী মল্লিক, চকলা মিয়া, ওদুদ মিয়া, রফাতুল্লাহ (পন্ডিত), দাশু মাখার্জী, মজিবুল হক জোয়ার্দ্দার, আবদুল হাই মালিক, শফি মিয়া, আজিবার রহমান মাল্লিক, ইবাদুতুর রহমান (ইবু মিয়া), টুকু চৌধুরী, একরামুল হক জোয়ার্দ্দার (শান্তি), কবির মিয়া, সাজাহান আলী বিশ্বাস, জামাত আলী, আখের আলী, লস্কর মিয়া, সুবেদার মাস্টার, হাবিবুর রহমান, ফকরুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার লুলু, আবুল কালাম জোয়ার্দ্দার, আবদুল কুদ্দুস, আবদুল মান্নান মুহুরী, আবদুল খালেক মালিতা, আলতাফ হোসেন, জাহিরউদ্দিন ওয়ারা  জেপি, সফিউদ্দিন মুংলা, এনামুল হক হকি, আবদুর রহমান বিলা, আশরাফ আলী, গোলাম মোর্শেদ জোয়ার্দ্দার প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।

-[প্রিয় শহর চুয়াডাঙ্গা]

#লন টেনিসে চুয়াডাঙ্গা#

ব্রিটিশ আমলে ১৯১৬ সালে চুয়াডাঙ্গায় টেনিস ক্লাব গঠিত হয়ে খেলা শুরু হয়।
 চুয়াডাঙ্গার উল্লেখযোগ্য টেনিস খেলোয়াড় হলেন :  মোহাম্মদ আলী মল্লিক, মতিরাম আগরওয়ালা, সতিয়া বাবু, ইউসুফ আলী জোয়ার্দ্দার, ইব্রাহিম বিশ্বাস, আকবর আলি, এ্যাডঃ আয়ুব আলী, ডা. আসহাব-উল-হক জোয়ার্দ্দার, এম.এম ওয়াহেদ হোসেন, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

#পাকিস্তান আমলে ইসমাইল হোসেন তিনবার এককভাবে টেনিস বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে চুয়াডাঙ্গার মুখ উজ্জ্বল করেন।

-প্রিয় শহর চুয়াডাঙ্গা"

#চুয়াডাঙ্গার বিখ্যাত_ব্যবসা_কেন্দ্র#

#বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গুড়ের হাট চুয়াডাঙ্গা সদরের সরোজগঞ্জ গুড়ের হাট।

#বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পানের হাট চুয়াডাঙ্গা সদরের ভালাইপুর পান হাট।

#বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সজজির হাট চুয়াডাঙ্গা জেলার ডুগডুগি সবজির হাট।

#বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পশু হাটের তিনটাই চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত
১. শিয়ালমারী পশু হাট
২. আলমডাঙ্গা পশু হাট
৩. ডুগডুগি পশু হাট ।

#বাংলাদেশের পুরাতন এবং বিশাল এক সাইকেলের হাট চুয়াডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গা সাইকেল হাট।

#হাজার বছরের পুরানো বিখ্যাত ব্যবসা কেন্দ্র চুয়াডাঙ্গা জেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজার।

#পূর্ব বাংলার ব্রিটিশদের প্রধান ব্যবসা কেন্দ্র এবং প্রধান নীল কুঠি কার্পাসডাঙ্গা নীলকুঠি, এখানে থেকেই ব্রিটিশরা পূর্ব বাংলার নীল কুঠি গুলো নিয়ন্ত্রণ করতো।

'সবুজ চুয়াডাঙ্গা, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ'।
এরই অংশ হিসেবে জনাব জিয়াউদ্দীন আহমেদ, জেলা প্রশাসক।এই শ্লোগান নিয়ে  গত ৯ সেপ্টম্বর ২০১৭ সালে বেলা ১২:০০ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলাতে ফলদ, বনজ ও ঔষধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাড়ে ৭ লাখ গাছ লাগিয়ে তৈরী  করেন  বিশ্ব রেকর্ড।

#কৃষি ও ফসল উৎপাদনে চুয়াডাঙ্গা#

#বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি ভুট্টা চাষ হয় চুয়াডাঙ্গাতে (ষাট হাজার হেক্টর জমিতে)

#বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি, মিষ্টি এবং বড় মাপের পান চাষ এবং উৎপাদন হয় চুয়াডাঙ্গাতে।
(তিন হাজার হেক্টর জমিতে) পাকিস্তান আমল থেকে পান রপ্তানিতে চুয়াডাঙ্গার রেকর্ড আছে। বাংলাদেশের ৬০℅ পানের চাহিদা পূরণ করে চুয়াডাঙ্গা জেলা।

#বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি সবজি চাষ এবং উৎপাদন হয় চুয়াডাঙ্গাতে (ত্রিশ হাজার হেক্টর জমিতে) এছাড়াও  সারা বছর বিভিন্ন শাকসবজি উৎপাদনে বাংলাদেশের সেরা চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের চাহিদার ৩৮℅ সবজির জোগান দেয় চুয়াডাঙ্গা জেলা।

#বাংলাদেশের সবচাইতে বড় মুরগির হ্যাচারি শিল্প চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত। এখান থেকে প্রতিদিন এক লক্ষ পঁচিশ হাজার ব্রয়লার বাচ্চা উৎপাদন হয়।

#বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাসের হ্যাচারি চুয়াডাঙ্গা জেলার কুলপালা গ্রামে অবস্থিত।

#বিশ্ব বিখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের উর্বর ভূমি চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা হয় চুয়াডাঙ্গাতে প্রতি বছর দশ লক্ষ (ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল)

#বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি সুমিষ্ট সুস্বাদু গুড় উৎপাদন হয় চুয়াডাঙ্গাতে।

#বাংলাদেশের সবচাইতে বড় বারোমাসি থাই আম বাগান চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামে অবস্থিত।

#বাংলাদেশের সবচাইতে বড় মাল্টার বাগান চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত।

#বাংলদেশের সবচাইতে বেশি আম্রপালি আমের বাগান আছে চুয়াডাঙ্গায় (সতের হাজার হেক্টর জমিতে)

#বাংলাদেশের সব চাইতে বেশি সুমিষ্ট সুস্বাদু ল্যাংড়া এবং হিমসাগর আম উৎপাদন হয় চুয়াডাঙ্গাতে।

#বাণজ্যিক ভাবে গরু উৎপাদনে চুয়াডাঙ্গা খুলনা বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয়।

#বাণিজ্যিক ফুল উৎপাদনে চুয়াডাঙ্গা বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয়।

#চুয়াডাঙ্গা_জেলার_প্রখ্যাত_ব্যক্তিত্ব

#আমাদের দেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম তৈরী করেন চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান প্রয়াত এন. এন. সাহা ।

অতুলকৃষ্ণ সাহা ১৯২১ সালে চুয়াডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন অতুলকৃষ্ণ সাহা। বাবা রাখালচন্দ্র সাহা। ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ায় ঔপনিবেশিক শক্তি তাঁকে কারাদন্ড প্রদান করে।

অনন্তহরি মিত্র অনন্তহরি মিত্র ১৩১১ বঙ্গাব্দের (১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ) ২৪ পৌষ চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশ নেন। ১৯২৬ সালে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মামলায় তার দশ বছর কারাদন্ড হয়। একই বছরে পুলিশের ডেপুটি সুপাররিনটেনডেন্ট ভূপেন চট্টোপাধ্যায় হত্যা মামলায় প্রমোদ চৌধুরীসহ তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।

অমিয়কুমার রায় অমিয়কুমার রায়ের জন্ম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাসান হাটি গ্রামে ১৯০৪ সালে। স্বাধীনতা সংগ্রামে নদীয়ার অগ্রণী নেতাদের মধ্যে অমিয়কুমার এর নাম উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রামে অস্ত্রাগার লুটের পর অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনিও ১৯৩০ সালে গ্রেপ্তার হন। ১৯৪১ সালে তিনি নদীয়া জেলা কংগ্রেস এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

আকরাম আহমেদ, বীরোত্তম ১৯৪৬ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ও মা মাফিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গা শহরের কবরী রোডের বাসিন্দা ছিলেন। ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে আকরাম আহমেদ সঙ্গীদের নিয়ে চট্টগ্রামে পতেঙ্গা তেল সংরক্ষণাগার ধ্বংস করে দেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরম্নদ্ধে তিনি বীরোচিত বিমান হামলা পরিচালনা করে শক্র বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। একই বছরে তিনি এয়ারক্রাফটসহ ঢাকায় এসে পৌঁছান। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্যে তিনি বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

 আসহাব-উল-হক জন্ম ১৯২১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর। চুয়াডাঙ্গা শহরের আহম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার ও হাজেরা খাতুন দম্পতির প্রথম পুত্র। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মিডফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত থাকেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয়ভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সালে পূর্ব-পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার চৌরাস্তার মোড়ে তিনি সকাল ৯:৩০ মিনিটে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বান্তক যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য তিনি বাংলাদেশে প্রথম চুয়াডাঙ্গাতে রেডক্রস বর্তমানে রেডক্রিসেন্ট স্যোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালে জনসমর্থন আদায়ের জন্য জাতিসংঘে পাঠানো প্রতিনিধি দলের সদস্য মনোনীত হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট ১৯২৪ সালের ২১ অক্টোবর দামুড়হুদা থানার মুনশীপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। মা মোসাম্মৎ আমীর-উন-নিছা, বাবা মোঃ নাসিরউদ্দিন আহাম্মদ। ছাত্র জীবনেই সক্রিয়ভাবে বৃটিশ খেদাও ও ভারত ছাড় আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক।

ইসলাম উদ্দীন মালিক ১৯৪০ সালের ১৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ডা. মালিক মাহতাবউদ্দীন আহামদ, মা মোসাম্মৎ রাবেয়া মালিক। তিনি ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের জন্য তিনি বিভিন্ন শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় উল্লেথযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।

ফিরোজ বারী মালিক ১৮৮২ সালের ৫ জুন চুয়াডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আফতাব হোসেন জোয়ার্দ্দার, মা ফাতেমা বেগম। তিনি পূর্ব-পাকিস্তান শিশু কল্যাণ পরিষদ ও তার অধীনস্থ বিকলাঙ্গ শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র এবং শিল্পায়ন ইন্ডাষ্ট্রিয়াল হোমের সভানেত্রী ছিলেন। কর্মজীবনে কৃতিত্বের জন্য তঘমায়ে পাকিস্তান খেতাবে ভূষিত হন। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মহিলা বিষয়ক সহ

 অতুলকৃষ্ণ সাহা ১৯২১ সালে চুয়াডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন অতুলকৃষ্ণ সাহা। বাবা রাখালচন্দ্র সাহা। ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ায় ঔপনিবেশিক শক্তি তাঁকে কারাদন্ড প্রদান করে।

অনন্তহরি মিত্র অনন্তহরি মিত্র ১৩১১ বঙ্গাব্দের (১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ) ২৪ পৌষ চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশ নেন। ১৯২৬ সালে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মামলায় তার দশ বছর কারাদন্ড হয়। একই বছরে পুলিশের ডেপুটি সুপাররিনটেনডেন্ট ভূপেন চট্টোপাধ্যায় হত্যা মামলায় প্রমোদ চৌধুরীসহ তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।

অমিয়কুমার রায় অমিয়কুমার রায়ের জন্ম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাসান হাটি গ্রামে ১৯০৪ সালে। স্বাধীনতা সংগ্রামে নদীয়ার অগ্রণী নেতাদের মধ্যে অমিয়কুমার এর নাম উল্লেখযোগ্য। চট্টগ্রামে অস্ত্রাগার লুটের পর অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনিও ১৯৩০ সালে গ্রেপ্তার হন। ১৯৪১ সালে তিনি নদীয়া জেলা কংগ্রেস এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

আকরাম আহমেদ, বীরোত্তম ১৯৪৬ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ও মা মাফিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গা শহরের কবরী রোডের বাসিন্দা ছিলেন। ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে আকরাম আহমেদ সঙ্গীদের নিয়ে চট্টগ্রামে পতেঙ্গা তেল সংরক্ষণাগার ধ্বংস করে দেন। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরম্নদ্ধে তিনি বীরোচিত বিমান হামলা পরিচালনা করে শক্র বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। একই বছরে তিনি এয়ারক্রাফটসহ ঢাকায় এসে পৌঁছান। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্যে তিনি বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

আসহাব-উল-হক জন্ম ১৯২১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর। চুয়াডাঙ্গা শহরের আহম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার ও হাজেরা খাতুন দম্পতির প্রথম পুত্র। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মিডফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত থাকেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয়ভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সালে পূর্ব-পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান স্বংগঠক ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার চৌরাস্তার মোড়ে তিনি সকাল ৯:৩০ মিনিটে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বান্তক যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য তিনি বাংলাদেশে প্রথম চুয়াডাঙ্গাতে রেডক্রস বর্তমানে রেডক্রিসেন্ট স্যোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালে জনসমর্থন আদায়ের জন্য জাতিসংঘে পাঠানো প্রতিনিধি দলের সদস্য মনোনীত হয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

  ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট ১৯২৪ সালের ২১ অক্টোবর দামুড়হুদা থানার মুনশীপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। মা মোসাম্মৎ আমীর-উন-নিছা, বাবা মোঃ নাসিরউদ্দিন আহাম্মদ। ছাত্র জীবনেই সক্রিয়ভাবে বৃটিশ খেদাও ও ভারত ছাড় আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক।

ইসলাম উদ্দীন মালিক ১৯৪০ সালের ১৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ডা. মালিক মাহতাবউদ্দীন আহামদ, মা মোসাম্মৎ রাবেয়া মালিক। তিনি ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের জন্য তিনি বিভিন্ন শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় উল্লেথযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।

ফিরোজ বারী মালিক ১৮৮২ সালের ৫ জুন চুয়াডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আফতাব হোসেন জোয়ার্দ্দার, মা ফাতেমা বেগম। তিনি পূর্ব-পাকিস্তান শিশু কল্যাণ পরিষদ ও তার অধীনস্থ বিকলাঙ্গ শিশু চিকিৎসা কেন্দ্র এবং শিল্পায়ন ইন্ডাষ্ট্রিয়াল হোমের সভানেত্রী ছিলেন। কর্মজীবনে কৃতিত্বের জন্য তঘমায়ে পাকিস্তান খেতাবে ভূষিত হন। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মহিলা বিষয়ক সহকারী ছিলেন।

বশিরা মান্নান ১৯৩৭ সালের ২ ফেব্রম্নয়ারি চুয়াডাঙ্গার সম্ভ্রান্ত মালিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মা ফিরোজা বারী, বাবা এম. এ. বারী। ১৯৬৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান অধ্যাপিকা। চুয়াডাঙ্গার ডা. এ. এম. মালিক চক্ষু হাসপাতালের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও শিশু কল্যাণ পরিষদের সম্পাদক। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত থেকে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।

মোসলেম আলী বিশ্বাস সাংবাদিক মোসলেম আলী বিশ্বাস ১৯২৮ সালে আলমডাঙ্গা উপজেলার খুদিয়াখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ভি. জে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন। ১৯৪৬ সালে কলিকাতা রিপন কলেজ থেকে আই, কম পাস করেন। এরপর সিটি কলেজ থেকে যৌথভাবে কলা ও বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলিকাতার দৈনিক ইত্তেহাদের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। ১৯৫০ সালে শিক্ষানবীস সহ-সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি এই পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬২ সালে দৈনিক জেহাদ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন। তিনি ১৯৬৩ সালে বৃটিশ হাই কমিশনের তথ্য বিভাগে যোগ দিয়ে ""বৃটিশ দর্পন'' ও ""কমনওয়েলথ টু-ডে'' সম্পাদনা করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি দৈনিক জনপদের সিনিয়র সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সলে রাজশাহী থেকে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ""দৈনিক বার্তা''-র উর্ধ্বতন সহকারী সম্পাদক পদে কর্মরত থাকাবস্থায় ১৯৮৩ সালে ঐ পত্রিকার সম্পাদকের পদ অলংকিত করেন। তিনি মোট পাঁচটি বিখ্যাত বই অনুবাদ করেছেন। মোসলেম আলী বিশ্বাস ১৯৯৪ সালের ২৮ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। তার পিতা বিলাত আলী বিশ্বাস ও মাতা হায়াতন নেছা ও স্ত্রী আবেদা বেগম। তিনি সাত সন্তানের জনক।

  মিঞা মোঃ মনসুর আলী ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জসিমুদ্দিন আহমদ, মা রাহেলা খাতুন। চুয়াডাঙ্গার রাহেলা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় ও ঝিনাইদহ জেলার সাবদারপুরের মনসুর একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা। আলমডাঙ্গা কলেজ বিজ্ঞানাগার নির্মাণসহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিনি পৃষ্ঠপোষক। ১৯৬৫-১৯৬৯ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং ১৯৭৯-১৯৮২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

মোহাম্মদ শাহজাহান ১৯৩৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। মা শুভতারা ও পিতা খোদাদাদ হোসেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে স্থানীয় প্রতিবাদকারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। মোহাম্মদ শাহজাহান মুক্তিযুদ্ধের একজন বিশিষ্ট সংগঠক। ১৯৭২ সালে আই.এল.ও. সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে সদস্য নির্বাচিত হন।

সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন) তিনি ১৫-৩-১৯৪৬ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৬৩ সালে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করেন। তিনি একজন ক্রীড়া সংগঠক। তিনি মহাকুমা ক্রীড়া সংস্থা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে মানণীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ৬৯ এর গণঅভ্যথ্থানে চুয়াডাঙ্গা'র নেতৃত্বদেন এবং ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন।

   
জানকী নাথ ঘোষাল দামুড়হুদা উপজেলার অন্তর্গত জয়রামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম জয়চন্দ্র ঘোষাল। কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে পরিচিত। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভগ্নী স্বর্ণকুমারীর সাথে প্রণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। শিয়ালদাহ ও লাল বাজার কোর্টে অনারারী ম্যাজিষ্ট্রেট ছিলেন।

  কালী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায় ১৮৬৪ সালে লোকনাথপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। সাংবাদিকতা ও সাহিত্য চর্চাকে তিনি জীবিকা হিসাবে গ্রহণ করেন। বসুমতি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৮৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সাবিত্রী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে লোকনাথপুর জন্ম গ্রহণ করেন। এম. এ. পাশ করার পর রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং কারারুদ্ধ হন। কবি নজরুল ইসলামের সাথে তার সখ্যতা ছিল। ১৯৬৫ সালের ২৩ মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়।

নফর চন্দ্র পাল চৌধুরী এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা কৃষ্ণপানত্দি বাজানুগ্রহে পাল চৌধুরী উপাধি প্রাপ্ত হন। তাঁর বংশধরগণ জমিদারী ব্যবসায় বিশেষ অবদান রাখেন। প্রজারঞ্জক জমিদার হিসাবে তাঁর অনেক সুখ্যাতি আছে। নাটুদহ গ্রামে তাঁর অনেক কীর্তি বিরাজমান আছে।

অশোক কুমার ভারতের বোম্বে চলচ্চিত্রের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেতা অশোক কুমার এর পৈত্রিক নিবাস দামুড়হুদা উপজেলার কুলাড়গাছী চন্ডিপুর  গ্রামে। তাঁর পিতা কাঞ্জিলাল গাঙ্গুলী ভাগলপুরে ওকালতি করতেন।তাই চাকুরীর সুবাদে পরিবার সহ ভাগলপুরে চলে যান। বিভিন্ন সময়ে তিনি চন্ডিপুরে বেড়াতে আসতেন। বাবার কর্মস্থল ভাগলপুরে তিনি লেখাপড়া শিখে চলচ্চিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন। সম্প্রতি তিনি পরলোকগমন করেন।

স্বর্ণকুমারী দেবী দামুড়হুদা উপজেলার বধূ স্বর্ণকুমারী দেবী ১৮৫৫ সালে কলকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। জয়রামপুর গ্রামের জানকীনাথ ঘোষালের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তিনি স্বামীসহ কলকাতায় বসবাস করেন। ১৯৩২ সালের ৩ জুলাই তারিখে তিনি ইহধাম ত্যাগ করেন।

শ্রীহরি রায় দামুড়হুদা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের শ্রীহরি রায় একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। ১৮৬০ সালের নীল বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিয়ে নীলকরদের নীল চাষের ব্যবসা ধ্বংস করে দেন।

ডঃ রাধা বিনোদ পাল আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন রাধা বিনোধ পাল এর মাতুল বাড়ী দামুড়াহুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে।

মোঃ আলী আজগর(টগর) তিনি একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি। তিনি ২০০৮ সালে মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

খোদাবকস্ শাহ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে আলমডাঙ্গা উপজেলার জাঁহাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মা ব্যাশোরণ নিচা, বাবা কফিলউদ্দিন বিশ্বাস। বাল্যবয়য় থেকেই সঙ্গীতের প্রতি সহজাত আসক্তি ছিল। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে কৃষ্ণযাত্রার দলে যোগ দেন। একদিন গ্রামের আসরে বাউল গান শুনে চমকে উঠলেন। সেদিনই শুকচাঁদ সাঁঈ’র কাছে মুরিদান গ্রহণ করেন। পরে অমূল্য সাঁঈ’র কাছে সঙ্গীতে তালিম নেন। অসাধারণ সুরেলা কন্ঠের গুণে অচিরেই ভাবসঙ্গীতে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।(লালন সংগীতের উপর ২১শে পদক প্রাপ্ত)।

কালি প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়ঃ জয়রামপুর থেকে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা "পরিনাম" এর সম্পাদক ছিলেন। পরে কলকাতার বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক বসুমতি পত্রিকার সম্পাদক হন। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে যোগিনী জীবন, দৈববাণী, সৈনিক, সীমানত্দনী, সর্বাজী, লালণ্যলতা, শর্বরী, সংসার, ভবানী ঠাকুর প্রভৃতি প্রন্থ রচনা করেন।

সাবিত্রী প্রসন্ন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কবি হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। শেষ জীবনে তিনি কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।

স্বর্ণকুমারী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্থ বোন। জয়রামপুর গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়। তিনিই বাংলা সাহিত্যে সর্বপ্রথম মহিলা উপন্যাসিক। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলি হল-দীপান্বিতা, ছিন্নমুকুল, মেবার রাজ, বিচিত্রা এবং স্বপনযাত্রী। স্নেহলতা তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তাঁর কন্যা সরলা দেবীও একজন সুলেখিকা ছিলেন। স্বর্ণকুমারী 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

এম, ইব্রাহিম দামুড়হুদা উপজেলার কোমরপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। চুয়াডাঙ্গা অনুশীলন সমিতির সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন। তাঁর রচিত উপন্যাস ঞ্ছজিহালার হাটঞ্জ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। ১৯ ডিসেম্বর, ২০০০ সালে তিনি মৃতু্যবরণ করেন।

এম, এ বকর দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। দৈনিক রাজধানীর সাথে যুক্ত ছিলেন। নিজ উদ্যোগে অনেক স্মরণীকা প্রকাশ করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলার ইতিহাস সংগ্রহে অবদান রাখেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে "একটি জেলা চুয়াডাঙ্গা" অন্যতম।

আবু আফজাল সালেহ, কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও ভ্রমণফিচার লেখক

মীর্জা সুলতান রাজা- রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,
সাবেক সংসদ সদস্য.

মোঃ মোজাম্মেল হক শিল্পপতি - বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি, সাবেক সংসদ সদস্য

আবু হান্নান (বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও গবেষক)

হারুনুর রশীদ (বীর প্রতীক) - খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ বীরপ্রতীক।
হারুনুর রশীদ (১৯৪৮ - ২৭ নভেম্বর ১৯৭১) হলেন
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অসীম সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে
বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। [১]
জন্ম ও পরিবার
হারুনুর রশীদ পৈতৃক বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার
সদর উপজেলার রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামে। তার পিতার নাম আহমেদ আলী মন্ডল এবং মায়ের নাম বিরাজ খাতুন। তার স্ত্রীর নাম ছুরাতন নেছা।

বেবী ইসলাম - প্রখ্যাত আলোকচিত্রী, চিত্রগ্রাহক ও চলচ্চিত্র পরিচালক (তিনবার
শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহকের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন)

কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ জন্ম চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামে, তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

শাহিনুজ্জামান টরিক চুয়াডাঙ্গা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন, সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত ব্যবসায়ী, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি।

দিলীপ কুমার আগরওয়াল চুয়াডাঙ্গা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী, ডায়মন্ড ওয়াল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক , বাংলাদেশ এফবিসিসিআই  এবং বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সভাপতি।

আব্দুর রাজ্জাক রাজ চুয়াডাঙ্গা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন, বাংলাদেশ মাইওয়ান, মিনিস্টার কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।

জামান শিল্পপতি এবং চুয়াডাঙ্গা শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশের বিখ্যাত জামান গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা।

গিরি ধারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ উত্তরা লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা।

বাবু খান চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি ?

0 comments: