Tuesday, January 21, 2020

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে পুলিশ বস্তি ভেঙে দেওয়ার পরে বেঙ্গালুরু থেকে পালাচ্ছেন বাংলার শ্রমিকেরা

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে পুলিশ বস্তি ভেঙে দেওয়ার পরে বেঙ্গালুরু থেকে পালাচ্ছেন বাংলার শ্রমিকেরা।
শহরের কারিয়াম্নানা আগ্রহরা এলাকায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বসবাস করছেন বলে দিন দশেক আগে দাবি করেছিলেন বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক অরবিন্দ লিম্বাভালি। এর পরেই গত রবিবার শহরের ওই বস্তির শ’খানেক ঘর ভেঙে দিয়ে কয়েকশো বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে বেঙ্গালুরু পুরসভা ও পুলিশ। দক্ষিণের একটি ইংরেজি সংবাদপত্র জানিয়েছে, ঘটনার পরেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেঙ্গালুরুতে কাজ করতে যাওয়া ওই শ্রমিকেরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। শ্রমিকদের দাবি, ভারতের নাগরিক হিসেবে তাঁদের প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। পুলিশ সে সব কথা শুনতে নারাজ।

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে পুলিশ বস্তি ভেঙে দেওয়ার পরে বেঙ্গালুরু থেকে পালাচ্ছেন বাংলার শ্রমিকেরা।
শহরের কারিয়াম্নানা আগ্রহরা এলাকায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বসবাস করছেন বলে দিন দশেক আগে দাবি করেছিলেন বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক অরবিন্দ লিম্বাভালি। এর পরেই গত রবিবার শহরের ওই বস্তির শ’খানেক ঘর ভেঙে দিয়ে কয়েকশো বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে বেঙ্গালুরু পুরসভা ও পুলিশ। দক্ষিণের একটি ইংরেজি সংবাদপত্র জানিয়েছে, ঘটনার পরেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেঙ্গালুরুতে কাজ করতে যাওয়া ওই শ্রমিকেরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। শ্রমিকদের দাবি, ভারতের নাগরিক হিসেবে তাঁদের প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। পুলিশ সে সব কথা শুনতে নারাজ।
বেঙ্গালুরু পুলিশের এক কর্তা বলেছেন, পরিচয়পত্রের সত্যতা যাচাই করতে লক্ষ টাকা খরচ করে পশ্চিমবঙ্গে টিম পাঠানো সম্ভব নয়। আর এ ব্যাপারে অতীতে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সহযোগিতাও পাননি। এই বিতর্কের মধ্যেই বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার ভাস্কর রাও জানান, ১৩টি এলাকা তাঁরা চিহ্নিত করেছেন, যেখানে অনুপ্রবেশকারীদের বসবাস।
বিজেপি বিধায়ক লিম্বাভালি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন,  তাঁর মহাদেবপুরা বিধানসভা কেন্দ্রে অবৈধ ছাউনিগুলিতে বাংলাদেশিরা বাস করছে। অবৈধ কার্যকলাপ চলছে সেখানে। তাঁর দাবি, সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই বিষয়টি জানতে পেরেছেন তিনি, প্রশাসনকে এ নিয়ে পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

এর পরেই ওই বস্তিতে পৌঁছয় পুলিশ। বিনয় শ্রীনিবাস নামে এক সমাজকর্মী খবরের একটি ওয়েবসাইটকে জানিয়েছেন, সাদা পোশাকে এসেছিল পুলিশ। পুরসভার কর্মীরা হাজির ছিলেন না। পুলিশের কাছে তাঁরা উচ্ছেদের নির্দেশ দেখতে চাইলে বস্তি ভাঙার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

0 comments: