Thursday, February 20, 2020

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চা দোকানীকে কুপিয়ে ভুড়ি বের করে দিল যুবক

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র আল-তায়েবা মোড়ে দিনেদুপুরে চা দোকানী নাজিরকে (৪৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে দুই যুবক। আজ ১৯ ফেব্রুয়ারী বুধবার দুপুর ১ টার দিকে ওই রক্তাক্ত ঘটনাটি ঘটে। চা দোকানী নাজিরের পেটের ভুড়ি বেরিয়ে গেছে। মূমূর্ষু অবস্থায় তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মূমূর্ষু নাজির পৌর শহরের কোর্টপাড়ার মৃত ভিখু মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আল-তায়েবা মোড়ের চা দোকানটি পরিচালনা করে আসছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে গোবিন্দপুর গ্রামের মাসুদ আলীর ছেলে ইমরান চা খেতে নাজিরের দোকানে ঢোকে। এ সময় নাজিরের সাথে ইমরানের পানি খাওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর আধা ঘন্টা পর ইমরান তার গ্রামের ওহিদুল ইসলামের ছেলে শাহীনকে সাথে নিয়ে ওই দোকানে আবার যায়। ইমরান চা দোকানী নাজিরের পেটে রামদা দিয়ে কোপ দিলে তার পেটের ভুড়ি বেরিয়ে যায়। এ সময় ইমরান দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে পালিয়ে যেতে পারলেও স্থানীয় জনতা তার সহযোগী শাহীনকে ধরে গণপিটুনী দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
জানা যায়, দুপুর ১২ টার দিকে পৌর কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম ও ইমরান পৌরসভার একটি মোটরসাইকলে নিয়ে ওই চা দোকানের সামনে সোনালী ব্যাংকে যান। কাউন্সিলরকে ব্যাংকে রেখে ইমরান চা খেতে যায়। কাউন্সিলরের মোটরসাইকেল নিয়েই ইমরান বাড়ি থেকে রামদা এনে নাজিরকে কোপায়। এতে কাউন্সিলর জাহিদুলের সম্পৃক্ততা আছে কিনা জানতে পুলিশ জাহিদুলকেও মোটরসাইকেলসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, রক্তাক্ত চা দোকানী নাজিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মূল আসামী ইমরানকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে। ইমরানের সহযোগী শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, কাউন্সিলর জাহিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। তার সম্পৃক্তা পাওয়া না গেলে ছেড়ে দেওয়া হবে

0 comments: