Saturday, March 21, 2020

দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় শিলা- বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি



মোস্তাফিজ কচি  :-- দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা  ইউপি   এলাকায় হঠাৎ  শিলা বৃষ্টিতে উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।শিলা বৃষ্টির আঘাতে মাটির সঙ্গে নুইয়ে পড়েছে উঠতি ফসল গম, মসুর, ভূট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, ধানসহ বিভিন্ন ফসল ও সবজি। ঝরে পড়েছে সজনে ও আমের মুকুল। কোনো কোনো বাগানে আম গাছের ডালপালাও ভেঙে পড়েছে। শনিবার (২১মার্চ) রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ শুরু হওয়া এ সাথে শিলা বৃষ্টি আধ মিনিট স্থায়ী হয়।কোমরপুর গ্রামের চাষি আহম্মদ আলী বলেন, এ বছর ছয় বিঘা জমিতে পেঁয়াজ লাগিয়েছি। শিলা বৃষ্টির কারণে সব পেঁয়াজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।চাষি হুমায়ন কবির  বেল্টু  ১০ বিঘা জমির পেঁয়াজের পুরোটাই ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলেও জানালেন তিনি।কার্পাসডাঙ্গা  গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের  ও মুজতবা আলী বকুল  বলেন, শিলা বৃষ্টিতে মাঠের উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মিষ্টার আলী চার বিঘা জমির মসুর, ফজলুর রহমানের সাড়ে তিন বিঘা জমিতে গম রয়েছে। আব্দুল হান্নান  বলেন, জমি থেকে মসুর ওঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ শিলা বৃষ্টির কারণে মসুরের সব ফল ঝরে গেছে। এটাই ছিলো আমার একমাত্র ফসল।বাঘাডাঙ্গা  গ্রামের কৃষক আশরাফ আলী জানান, শিলা বৃষ্টিতে গাছের পাতা পর্যন্ত ঝরে গেছে। মাঠের সব ফসলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকরা সহজেই এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন না।শিলা-বৃষ্টিতে কৃষককূল দুই বছর পিছিয়ে গেল। কোমরপুর গ্রামের কৃষক জামাত আলী বলেন, গত ১০-১৫ বছরের মধ্যে এ ধরনের শিলা বৃষ্টি আমরা দেখিনি।কার্পাসডাঙ্গা   গ্রামের সাংবাদিক সালাউদ্দিন বলেন,  শিলা বৃষ্টিতে আমাদের মাঠের সব ধরনের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। মাঠ থেকে ফসল আর বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবো না। এ ধরনের  শিলা বৃষ্টি বিগত ১৫ বছরেও দেখেনি বলে তারা উল্লেখ করেন। কার্পাসডাঙ্গা ব্লকের দায়িত্ব প্রাপ্ত   উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মামুনুউর রশীদ জানান  শিলা-বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।  




0 comments: