Tuesday, March 24, 2020

চুয়াডাঙ্গায় চালের দাম বাড়ানোর অভিযোগে ৩০ হজার টাকা জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সহ চাউলের দাম বেশী নেওয়ার অভিযোগে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মঙ্গলবার বিকালে চুয়াডাঙ্গার বড়বাজার, গোকুলখালী এবং ভিমরুল্লা এলাকায় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব সজল আহম্মেদ এ অভিযান পরিচালনা করেন। চুয়াডাঙ্গার বাদুরতলায় অবস্থিত নিউ হাসান ফ্লাওয়ার মিলকে অবৈধভাবে চাউল মজুদ ও আটার বস্তায় মোড়কীকরণবিধি অমান্য করায় দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপর দিকে একই অভিযানে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজার ফেরীঘাট সড়কে অবস্থিত মেসার্স সুগন্ধা ট্রেডার্সকে অধিক মুল্যে চাউল বিক্রয়ের অভিযোগে সরজমিনে প্রমান পেয়ে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকারের এই রকম অভিযানে সাধারন মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসছে বলে জনান সুধীজনেরা । এ সময় এই ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন এনএসআই এর সহকারী পরিচালক জনাব লুতফুল কবির কনক ও জেলা পুলিশ ও ক্যাবের সদস্যরাও সার্বিক সহযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে যারা পন্যদ্রব্য ও চাউলের দাম বেশী নিবে তাদের বিরুদ্ধে সর্বদা এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব সজল আহম্মেদ জানান ব্যাবসায়ীরা যেখানে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি চাউল ৫০ পয়সা লাভে বিক্রয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেখানে একজন অসাধু ব্যবসায়ী কেজিতে লাভ করছেন ৩ টাকা। খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতারা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন চালের দাম। চালবাজি করার জন্য অনেক ব্যবসায়ী মিল থেকে চালান ও রশিদ ঠিকমত সংগ্রহ করছেন না। আবার দাম বাড়ানোর জন্য মিল মালিকরাও ঠিকমত চাউলের মুল্য লিখে মেমো সরবরাহ করছেন না। আর এভাবেই মিল থেকে পাইকারি, পাইকারি থেকে ফরিয়া, ফরিয়া থেকে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে কেজিতে দাম বেড়ে যাচ্ছে ৮-১০ টাকা।
দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে সুযোগ নিচ্ছেন সবাই। তাই এরকম কাজ থেকে বিরত থাকার ও অনুরোধ জনান তিনি। তিনি আহবান করেন এ সময়ে আপনাদের দরিদ্র ও সাধারন মানুষের পাশে না দাড়ালে তারা অসহনীয় দূর্ভোগের শিকার হবে। তাই বলি আমাদের দেশে যদি ইটালির মত মহামারী শুরু হয় আপনি এই অতি মুনাফার টাকা ভোগ করতে পারবেন তো? কি লাভ তবে নিম্ন আয়ের মানুষকে কষ্ট দিয়ে? দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজারকে অস্থিতিশীল করে? দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে সবাই একটু মানবিক হোন।
সূত্র,পিবিএ

0 comments: