Wednesday, April 1, 2020

চবি শিক্ষকের দেখানো উপায় অনুসরণ করলে মুক্তি মিলবে করোনা থেকে

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনার আক্রমণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে করোনায় প্রায় হারিয়েছে ৬ জন। আক্রান্ত ৫৪ জন। কিন্তু এখন পর্যন্ত করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি।
করোনা থেকে মুক্তি পেতে ‘পরোক্ষ এন্টিবডি থেরাপি’র কথা বলেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া।
সম্প্রতি চবি অধ্যাপক ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিত সেসব ডাক্তারদের উদ্দেশে সংকটাপন্ন রোগীদের জীবন রক্ষা করতে একটি আইডিয়ার কথা বলেন।
তিনি জানান, করোনায় সংক্রমিত রোগীদের জীবন রক্ষা করতে ১৮৯০ সালে আবিষ্কৃত এই এপ্রোচ কার্যকরী হতে পারে। এটা পরোক্ষ এন্টিবডি থেরাপি নামে পরিচিত।
করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হয়ে উঠা ব্যক্তির ব্লাড-প্লাজমা বা ব্লাড-সিরাম নিয়ে (ভাইরাস ও অন্যান্য ইনফেক্সাস এজেন্ট স্কিনিংয়ের পর) অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করালে আক্রান্ত ব্যক্তি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
কারণ পূর্বে আক্রান্ত হয়ে উঠা রোগির ব্লাড প্লাজমা অথবা সিরামে এন্টি কোভিড-১৯ এন্টিবডি উৎপন্ন হয়ে থাকে। যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের প্রবেশ করাতে পারলে আক্রান্ত ব্যাক্তি সুস্থ হয়ে উঠবে।
এ ব্যাপারে তিনি অনেকগুলো পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন, এ ধরনের ব্লাড-প্লাজমার মাধ্যমে ১৯১৮ সালে এইচ১এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস ১৭০০ আক্রান্ত রোগির ওপর চেষ্টা করে ভালো ফল পাওয়া গিয়েছে।
২০০২-০৩ সালে সার্চ প্রাদুর্ভাব হয়। তখন হংকং এ আক্রান্ত ৮০ ব্যক্তির ওপর একইভাবে আক্রান্ত থেকে সুস্থ হয়ে উঠা ব্যক্তির ব্লাড-সিরাম প্রয়োগ করা হয়। ফাই আক্রান্ত রোগি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে।
এ সম্পর্কে চবি অধ্যাপক বলেন, ‘আরটি-পিসিআর’ মেশিনের মাধ্যমে প্রতি ৩ ঘণ্টায় ৯৬ জনের সেম্পল পরীক্ষা করা যায়।
আমরা যারা মলিকুলার বায়োলজি নিয়ে গবেষণা করেছি তারা সবাই ‘আরটি-পিসিআর’ মেশিন চিনি। বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাবে এ মেশিন আছে।
সরকার অনুমতি দিলে সেফটি মেজার নিয়ে নিজস্ব ল্যাবে করোনা নির্ণয়ের পরীক্ষা চালিয়ে জাতির এ দুর্যোগ থেকে মুক্তির অবদান রাখার সুযোগ পাওয়া যাবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত বিচ্ছিন্ন করে বাকী সবাইকে নিরাপদে রাখা সম্ভব।সূত্র doinik aloron

0 comments: